Showing posts with label ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে ইসলাম. Show all posts
Showing posts with label ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে ইসলাম. Show all posts

আত্মসমালোচনা : গুরুত্ব ও পদ্ধতি

আত্মসমালোচনা : গুরুত্ব ও পদ্ধতি

মুহাম্মাদ  আব্দুল ওয়াদূদ
মানবজাতিকে আল্লাহ তা‘আলা আশরাফুল মাখলূক্বাত হিসাবে স্বাধীন চিন্তাশক্তি দিয়ে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। ফলে তার মাঝে তিনপ্রকার নফসের সম্মিলন ঘটেছে।إِنَّ النَّفْسَ لأَمَّارَةٌ بِالسُّوْءِ إِلاَّ مَا رَحِمَ رَبِّيْ  ‘নিশ্চয়ই মানুষের মন মন্দ কর্মপ্রবণ। কিন্তু সে মন নয়, আমার পালনকর্তা যার প্রতি অনুগ্রহ করেন’ (ইউসুফ ১২/৫৩)। অধিক হারে মন্দকাজ বান্দার অন্তরকে কঠিন করে তোলে ও ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। রাসুল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন বান্দা কোন পাপ করে তখন তার অন্তরে কালো দাগ পড়ে যায়। যখন সে তওবা করে তখন সেটা তুলে নেওয়া হয়।

মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা পর্ব -২

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

Adab in Muslim Life QAলেখক: ড. মো: আমিনুল ইসলাম

নিয়তের আদবসমূহ

মুসলিম ব্যক্তি নিয়তের মর্যাদা ও প্রভাবের প্রতি বিশ্বাস করে এবং আরও বিশ্বাস করে তার ধর্মীয় ও জাগতিক জীবনের সকল কর্মকাণ্ডের জন্য নিয়তের গুরুত্বকে। কারণ, নিয়তের দ্বারাই সকল কাজের অস্তিত্ব লাভ করে এবং নিয়ত অনুযায়ীই তার রূপ-প্রকৃতি তৈরি হয়; ফলে সে অনুসারে তা শক্তিশালী হয়, দুর্বল হয়, শুদ্ধ হয় এবং নষ্ট হয়; আর মুসলিম ব্যক্তি প্রত্যেক কাজে নিয়তের প্রয়োজনীয়তা ও তা বিশুদ্ধকরণের আবশ্যকতার বিষয়টিকেও বিশ্বাস করে। এ ব্যাপারে সে প্রথমত আল্লাহর বাণী থেকে দলীল গ্রহণ করে; আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা পর্ব -১

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

Adab in Muslim Life QA

লেখক: ড. মো: আমিনুল ইসলাম

আদব-কায়দা’র পরিচয়, গুরুত্ব ও তাৎপর্য

১. আদব-কায়দা’র পরিচয়:
আদব শব্দটি আরবি  ” أدب “শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত শব্দ; যার অর্থ হলো: বিনয়, নম্রতা, ভদ্রতা, সভ্যতা, কৃষ্টি, সুশিক্ষা, নৈতিকতা, মানবিকতা, শোভনতা, শিষ্টাচার।[1] আবার  ” أدب “শব্দের অর্থ: নিয়মনীতি, পদ্ধতি ইত্যাদি।  আর আদব-কায়দা মানে— ভদ্র সমাজের রীতি-পদ্ধতি; ভদ্র ব্যবহার। অন্যভাবে বলা যায়: আদব-কায়দা মানে কাঙ্খিত শিক্ষা, সভ্যতা ও মার্জিত সংস্কৃতির দ্বারা আত্মগঠনের অনুশীলন করা।[2]
ইবনু হাজার ‘আসকালানী রহ. বলেন:

ইসলামী পোশাকের মূলনীতি

ইসলামী পোশাকের মূলনীতি
মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম আজাদ


আমাদের দেশে বর্তমানে সূন্নাতী লেবাস ,পোশাক-পরিচ্ছেদ বলে এক ধরনের বিশেষ কাটিং ও বিশেষ পরিমানের লম্বা কোর্তা পরিধান করা হচ্ছে । প্রচার করা হচ্ছে যে, এই হলো সূন্নাতী লেবাস ,পোশাক-পরিচ্ছেদ । আর যে ব্যক্তি এ সূন্নাতী লেবাস ,পোশাক-পরিচ্ছেদ পরবেনা সে ফাসেক বলে বিবেচিত হবে এবং এমন ব্যক্তি যদি আলিম হয়, তাহলে তার পেছনে নামায পড়া জায়েয হবেনা । এ ধারণার  করণে সমাজের এক বিশেষ শ্রেণীর লোক - আলিম ও পীরগণ এ ধরনের বিশেষ কাটিং ও বিশেষ পরিমানের লম্বা কোর্তা পরিধান করা কে সূন্নাহ মনে করেণ, সূন্নাতী

মানুষ কষ্ট দিলে মনের ক্ষত সারাবেন যেভাবে

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে- 


যখন ছোট ছিলাম, পৃথিবীটাকে মনে হতো একেবারেই নির্ঝঞ্ঝাট এবং খুব পরিপাটি একটা জায়গা। কিন্তু বড় হয়ে দেখলাম ব্যাপারটা মোটেও সেরকম নয়। ভাবতাম সবকিছুই ন্যায়নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। অর্থাৎ আমার মনে হতো, কারও প্রতি কখনো কোনোরূপ অন্যায় করা যাবে না। কোনো অন্যায় যদি হয়েই যায়, তাহলে সকল ক্ষেত্রেই সুবিচারের জয় হবে। নিজের এই নীতিবোধ অনুযায়ী, সবকিছু যেমনটি হওয়া উচিত তেমনটি ঠিক রাখার জন্য অনেক সংগ্রাম করেছি জীবনে। কিন্তু এই সংগ্রাম করতে গিয়ে জীবনের একটি মৌলিক সত্যকে উপেক্ষা করছিলাম আমি। আমার শিশুসুলভ আদর্শবাদের কারণে আমি বুঝতেই পারিনি, সৃষ্টিগতভাবেই এই পার্থিব জগতটা ত্রুটিযুক্ত। ঠিক যেভাবে আমরা মানুষরা সৃষ্টিগতভাবে অপূর্ণ, ত্রুটিযুক্ত। সবসময় অঘটন আর ঝামেলা লেগেই থাকে আমাদের জীবনে। এসব ঝামেলাই জড়িয়ে, জেনেই হোক, না-জেনেই হোক, ইচ্ছা কি অনিচ্ছায় হোক, অনিবার্যভাবেই আমরা মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে ফেলি। বাস্তব হলো, পৃথিবীটা সবসময় ন্যায়নীতি দিয়ে চলে না।

হাদীসের আলোকে আদর্শ স্বামী

হাদীসের আলোকে আদর্শ স্বামী
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,

وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنۡ خَلَقَ لَكُم مِّنۡ أَنفُسِكُمۡ أَزۡوَٰجٗا لِّتَسۡكُنُوٓاْ إِلَيۡهَا وَجَعَلَ بَيۡنَكُم مَّوَدَّةٗ وَرَحۡمَةًۚ إِنَّ فِي
ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَتَفَكَّرُونَ ٢١  [الروم: ٢١“আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে সে কওমের জন্য, যারা চিন্তা করে”। [সূরা : আর্-রূম: ২১]
হাদীসে এসেছে,

ইসলামে খাবার গ্রহণের আদব

الحمد لله رب العالمين، وصلى الله وسلم وبارك على نبينا محمدٍ وعلى آله وصحبه أجمعين. وبعد
বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে খাবার গ্রহণের আদব বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই। কেননা খাওয়া-দাওয়া আমাদের প্রাত্যহিক বিষয়। তাই এ বিষয়ের আদব ভাল করে রপ্ত করাও জরুরি। উলামগণ এ বিষয়টিকে বিশ্লিষ্ট আকারে বর্ণনা করেছেন। ব্যাখ্যা করেছেন বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে। কেননা এ বিষয়ে বহু হাদীস, ও শরয়ী টেক্সট রয়েছে। শরীয়ত মানবজীবনের সকল দিককেই যথার্থরূপে গুরুত্ব দিয়েছে। উপরন্তু যে দিকটি মুসলমানের জীবনে বেশি উপস্থিত সে দিকটির উপর শরীয়তের গুরুত্ব প্রদানের মাত্রাও সমানুপাতিক হারে অধিক। 

অহংকার থেকে মুক্তির উপায়

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে -

arrogance
প্রশ্ন : কিভাবে একজন মানুষ অহংকার থেকে মুক্তি পেতে পারে ?
উত্তর : আলহামদুলিল্লাহ।

গরীব ও দুর্বল শ্রেণী : সমাজে অবনত মর্যাদায় উন্নত

গরীব ও দুর্বল শ্রেণী : সমাজে অবনত মর্যাদায় উন্নত

ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন
ভূমিকা :
পার্থিব দৃষ্টিকোণে সহায়-সম্পদ মর্যাদার কারণ হ’লেও আখেরাতের বিচারে তা মর্যাদার বিষয় নয়। জান্নাত পিয়াসী মুমিন তাই দুনিয়াপূজারী হ’তে পারে না। পার্থিব মোহে সে মোহাচ্ছন্ন হয় না। কেননা মহান আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ার প্রতারণা থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন,

 يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ وَعْدَ اللهِ حَقٌّ فَلَا تَغُرَّنَّكُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَلاَ يَغُرَّنَّكُمْ بِاللهِ الْغَرُوْرُ ‘

হে মানব জাতি! নিশ্চয়ই আল্লাহর ওয়াদা সত্য। অতএব পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে ধোকায় না ফেলে। আর সেই প্রতারক (শয়তান) যেন তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারিত না করে’ (ফাতির ৩৫/৫)।

সাফল্য অর্জনের অন্যতম চাবিকাঠি ধৈর্য

সাফল্য অর্জনের অন্যতম চাবিকাঠি ধৈর্য

Crearসাফল্যের চূড়ায় উত্তীর্ণ হতে মানুষ নানা ধরনের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। অনেক কষ্টে, ঘামে শ্রমে পরিশ্রমে সেই সাফল্যকে নিজের করে নেয়। নিজের অর্জিত সাফল্যের পথপরিক্রমা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তাতে ধৈর্যের রয়েছে বিশাল অবদান। কাজের ক্ষেত্রে কেউ যদি ধৈর্যশীল হয় তাহলে তার সফলতা অর্জনের সম্ভাবনা থাকে শতভাগ।

আমরা চোখ থাকতেও অন্ধ হয়ে থাকি

আমরা চোখ থাকতেও অন্ধ হয়ে থাকি

ঘটনাটি রাশেদ নামের এক ব্যক্তির। তিনি যেমনটি বলছিলেন
আমার স্ত্রী যখন প্রথম সন্তানের মা হলো, তখন আমার বয়স তিরিশের বেশি হবে না। আজও আমার সেই রাতটার কথা মনে আছে।প্রতিদিনের অভ্যাস মতো সেদিনও সারারাত বন্ধুদের সাথে বাড়ির বাইরে ছিলাম। সারাটা রাত কেটেছিল যতসব নিরর্থক আর অসার কথাবার্তা, পরনিন্দা, পরচর্চা এবং লোকজনকে নিয়ে ঠাট্টা তামাশা আর মজা করে। সবাইকে হাসানোর কাজটা মুলত আমিই করছিলাম। আমি অন্যদের নিয়ে ঠাট্টা মশকরা করছিলাম আর তাই শুনে বন্ধুরা সব হেসেই খোশ হচ্ছিল। মনে আছে, সেই রাতে আমি ওদের অনেক হাসিয়ে ছিলাম। মানুষের কণ্ঠস্বর, অঙ্গভঙ্গি ইত্যাদি খুব ভাল নকল করতে পারি আমি ।

অবৈধ সম্পর্কের ফলে দুঃশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠা

আমার সমস্যাটা হল, বিগত কয়েক মাস ধরে আমি এক নারীর সাথে গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি। তার সাথে কোন হারাম সম্পর্ক করার আমার কোনোরূপ ইচ্ছা ছিল না। তবে যে কারণে আমি তার কাছাকাছি এসেছি সেটা হল আমি তাকে বুঝাতে চেয়েছি যাতে সে আত্মহত্যার ইচ্ছা থেকে সরে আসে। সে আত্মহত্যা করবে বলে মনস্থির করেছিল। সে উচ্চমাত্রার ট্যাবলেট গ্রহণ করত। আমি তাকে আত্মহত্যার পাপ থেকে বাঁচানোর জন্য নানা উপদেশ ও চেষ্টা করতাম। আমার ইচ্ছা ছিল তাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানো।

মেহমানকে মুগ্ধ করার কিছু কৌশল

মেহমানকে মুগ্ধ করার কিছু কৌশল



মেহমানকে মুগ্ধ করার কিছু কৌশল
মেহমানদারী করতে কে না ভালোবাসে আর সে যদি হন আপনার কাঙ্ক্ষিত কোন ব্যক্তি কিংবা পরিবার। কিংবা একেবারেই নতুন, তাদের আপ্যায়নের ব্যপারে একটু ব্যতিক্রম কিছু ভাবতেই হয়। আর সেক্ষেত্রে বাড়ি সাজানো থেকে শুরু করে অতিথি অভ্যর্থনা সমস্ত দায়িত্ব আপনার উপর এসে পরে। তাই এ কাজ টা যেন সুন্দর রুচি সম্মত ও সম্মানজনক হয় তার জন্য বিশেষ কিছু কিছু দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখাটা জরুরী।

মৃতের গোসল


মৃতের গোসল, কাফন, জানাযার ছালাত এবং দাফন করা ফরযে কেফায়া । (অর্থাৎ কিছু লোকে কাজটি করলে অন্যরা দায়মুক্ত হবে । অন্যথা সকলেই গুনাহগার হবে)