Showing posts with label ইসলামী দাওয়াহ. Show all posts
Showing posts with label ইসলামী দাওয়াহ. Show all posts

সফলতাঃ দুনিয়া ও আল্লাহর দৃষ্টিকোণ

সফলতাঃ দুনিয়া ও আল্লাহর দৃষ্টিকোণ

মাক্কী জীবনের মাঝামাঝি অবস্থা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও কাফেরদের মধ্যে ভীষণ সংঘাত চলছে। কিন্তু তখনো কাফেরদের নির্যাতন নিপীড়ন চরমে পৌঁছে যায়নি। তবে নির্যাতনের ব্যপকতা দিন দিন বেড়েই চলছে। অপরদিকে এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুসলিমদের ধৈর্য্য ধারণ করে সহ্য করা ছাড়া অন্য কোন পথ ছিল না। এমতাবস্থায় সাহাবাদের মধ্যে কিছু হতাশা বিরাজ করছিল। অন্যদিকে কাফেররা মুসলিমদের উপহাস করে বলছিল, তোমাদের তো আল্লাহ আছে! অথচ তোমরাই লাঞ্চনার মধ্যে আছ। তোমরা ব্যর্থতায় পর্যবসিত। এই অবস্থায় আল্লাহ সুবহানাল্লাহু তায়ালা মুমিনদের জন্য নিয়ে এসেছেন আশার বানী। মুমিনদের সফলতা জানান দিয়ে নাজিল হয়েছে সূরা মুমিনূন এর প্রথম দশটি আয়াত। 

ইসলামি দাওয়াতের পথ

ইসলামি দাওয়াতের পথ
সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদী রহঃ

আমাদের কথা
বিংশ শতাব্দীর শেষ নাগাদ বিজ্ঞান চরম উন্নতি ও উৎকর্ষ লাভ করেছে। কিন্তু এই উন্নতি মানুষকে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, যেসব মতবাদের ভিতের উপর আধুনিক সভ্যতা ভর করে দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলো মানবতাবোধের সহায়ক নয়। যক্ষ্মার জীবাণুর মতো মানব সভ্যতার প্রাণশক্তিকে নি:শেষ করে দিয়েছে এই মতবাদগুলো।

তাই বিশ্বমানবতা আজ হন্যে হয়ে ঘুরে ফিরছে একটি বিশ্বজনীন পুণ্যময় কল্যাণধর্মী জীবনাদর্শের খোঁজে। নি:সন্দেহে সে জীবনাদর্শ ইসলাম ছাড়া অন্য কিছু নয়। মানবতার কল্যাণাকাংখী যে কোনো সত্যসন্ধানী বিশ্বশান্তি ও মানবতার কল্যাণের জন্যে ইসলামি জীবনাদর্শকেই বেছে নেবেন নি:সন্দেহে।

আল্লাহর পথে জিহাদ

আল্লাহর পথে জিহাদ
 লিখেছেন সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী

আল্লাহর পথে জিহাদ 
 [এটি মাওলানা মওদূদীর একটি ভাষণ। ১৯৩৯ সালের ১৩ই এপ্রিল ‘ইকবাল দিবস’ উপলক্ষে লাহোর টাউন হলে মাওলানা এ ভাষণ প্রদান করেন।]

সাধারণত ইংরেজি ভাষায় জিহাদ শব্দটির অনুবাদ holy war (পবিত্র যুদ্ধ) করে মারাত্মক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা হয়। দীর্ঘকাল যাবত এই শব্দটির যেরূপ ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, তার ফলে ইহা এখন ‘উন্মাদনা’ বা ‘পাগলামীর’ প্রতিশব্দে পরিণত হয়েছে। এই শব্দটি শ্রুত হওয়ার সংগে সংগেই শ্রোতার কল্পনা দৃষ্টিতে এমন এক ভয়ংকর ও বিভীষিকাময় দৃশ্য ভেসে উঠে যে, ধর্মপাগলের একটি দল যেন নগ্ন তরবারি হস্তে, শ্মশ্রু উত্তোলন করে রক্ত পিপাসু চোখে ‘আল্লাহ আকবার’ ধ্বনি করতে করতে অগ্রসর হচ্ছে আর কাফেরদের পাওয়া মাত্র গ্রেফতার করছে এবং তাদের গর্দানে তরবারি রেখে বলছেঃ ‘কালেমা পড়’ নতুবা এক্ষুণি গর্দান দ্বিখণ্ডিত করা হবে। শঠ লেখকগণ বিশেষ চাতুর্যের সাথে আমাদের এরূপ চিত্র অংকিত করছে এবং তার সাথে এ মন্তব্যটি জুড়ে দিয়েছে “রক্তের গন্ধ আসে এ জাতির ইতিহাস হতে।”

ইসলামে বর্ণবাদের কোনো স্থান নেই !

ইসলামে বর্ণবাদের কোনো স্থান নেই !

মাওলানা মিরাজ রহমান

ইসলামে বর্ণবাদের কোনো স্থান নেই!



কোনো জনগোষ্ঠীর প্রতি গাত্রবর্ণের কারণে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বৈষম্যমূলক আচরণের নীতিকেই বর্ণবাদ বলে। হাল জমানায় শুধু গাত্রবর্ণের মধ্যেই বর্ণবাদ সীমাবদ্ধ নয়; বরং শ্রেণী, জাতি, দেশ ও ধর্ম বিশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতেও এমনটি পরিলক্ষিত হয়। বর্ণবাদ সমাজ শোষণের এক অন্যতম হাতিয়ার। ইসলামে বর্ণবাদের কোনো স্থান নেই।

অমুসলিমদের জন্য বার্তা

অমুসলিমদের জন্য বার্তা




প্রিয় পাঠক, 

এই বার্তার লক্ষ্য আপনাকে পৃথিবীতে আমাদের বেঁচে থাকার উদ্দেশ্য নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার জন্য আহবান জানানো এবং মৃত্যু পরবর্তী জীবনে আপনার অবস্থা সম্পর্কে আপনাকে জ্ঞ্যাত করা। আপনি জান্নাত (স্বর্গ) অথবা জাহান্নাম (নরক) কোনটি লাভ করবেন? দয়া করে খেয়াল করুন, আপনি যখন এই বার্তাটি পড়া শেষ করবেন, আপনাকে এমন একজন ব্যক্তি হিসাবে গণ্য করা হবে যার নিকট ইসলামের বার্তা পৌঁছান হয়েছে, সুতরাং পরকালে সৃষ্টিকর্তার নিকট এই মর্মে কোন অজুহাত পেশ করতে পারবেন না যে আপনি জানতেন না।

ইসলাম ও মুক্তচিন্তার অধিকার

ইসলাম ও মুক্তচিন্তার অধিকার

এবনে গোলাম সামাদ
ইসলাম ধর্মে মুক্তচিন্তার অধিকার দেয়া হয়েছে। আল কুরআনে বলা হয়েছে, ধর্মের নামে কোনো জবরদস্তি নেই (সূরা-২: ২৫৬)। একই সূরায় আরো বলা হয়েছে, যারা তোমার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে কিন্তু যুদ্ধের সীমা ছাড়াবে না। কেননা আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীকে পছন্দ করেন না (সূরা- ২: ১৯০)। সে সূরায় বলা হয়েছে, মুসলমানদের হতে হবে মধ্যপন্থী (সূরা- ২: ১৪৩)। এ বিষয়ে ইসলামি ধ্যানধারণার সাদৃশ্য থাকতে দেখা যায় প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের (৩৮৪-৩২২ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দ) চিন্তাধারার। আল কুরআনে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করা হয়েছে (সূরা-৫: ৮০)। বলা হয়েছে, মানুষকে যুক্তির মাধ্যমে ধর্মের কথা বোঝাবে (সূরা-১৬: ১২৫)। এসব থেকে বোঝা যায় যে, ইসলাম একটি যুক্তিবাদী ধর্ম। এতে মানুষের মুক্তচিন্তার অধিকার আছে। বিখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ইমাম আল গাজ্জালি বলেছেন কুরআনের সূরা নূরের ৩৫ নম্বর আয়াতের হতে পরে ৭০ হাজার রকম ব্যাখ্যা।

ইসলামী রাজনীতি ও ইসলামী দল ব্যতীত অন্য দল , সংগঠন ,সংস্থা করা শিরক

ইসলামী রাজনীতি ও ইসলামী দল ব্যতীত অন্য দল , সংগঠন ,সংস্থা করা শিরক :

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِن تُطِيعُوا فَرِيقًا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ يَرُدُّوكُم بَعْدَ إِيمَانِكُمْ كَافِرِينَ
হে ঈমানদারগণ ! যদি তোমরা এই আহলি কিতাবদের মধ্য থেকে একটি দলের কথা মানো, তাহলে তারা তোমাদের ঈমান থেকে কুফরীর দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে ৷ আলে ইমরান : ১০০

ইসলামের দৃষ্টিতে সন্ত্রাস ও চরমপন্থা

ইসলামের দৃষ্টিতে সন্ত্রাস ও চরমপন্থা

ড. মুহাম্মদ আবু ইউসুফ
nibondhon



আজ থেকে প্রায় ১৪০০ শত বছর আগে ইসলামের আবির্ভাব ঘটেছিল এমন এক পরিবেশে যখন মানুষের সার্বিক আচার-আচরণ পশুদের আচরণকে অনেক ক্ষেত্রে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সে যুগটি আখ্যায়িত হয়েছিল অন্ধকার যুগ হিসেবে। মানবাধিকারের বদলে পাশবিকতা ছিল যে সমাজের মূলমন্ত্র। অমানবিক ও পাশবিক যাবতীয় কাজ তৎকালীন সমাজে শ্রেষ্ঠত্ব ও কৌলিন্যের বিষয় ছিল। সে সময়ের অনাকাক্সিক্ষত কার্যকলাপের কথা মনে হলে গা শিউরে ওঠে। এমন একটি সমাজকে রাসূল (সা) তার নৈতিক আদর্শ, মহানুভবতা, সহনশীলতা, ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে আমূল পরিবর্তন সাধন করেন। গড়ে তোলেন সর্বোত্তম একটি মানবীয় সমাজ।

ফেসবুক হোক দাওয়াতের বাতায়ন

ফেসবুক হোক দাওয়াতের বাতায়ন

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় প্রতিটি মানুষই এখন কম-বেশি ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহার করেন । কেবল পাশ্চাত্য বিশ্বই নয়, আমাদের দেশেও সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষত ফেসবুকের বিস্তার ব্যাপক । ফেসবুক এখন পৃথিবীর অন্যতম আলোচিত মিডিয়া । এক নতুন শক্তির নাম ফেসবুক । ফেসবুক নিয়ে আলোচনা আছে, আছে সমালোচনাও । এর নেতিবাচক ব্যবহার যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে ইতিবাচক ব্যবহারও । একদিকে এর মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীরা মিথ্যা ছড়িয়ে দিচ্ছে ।