Showing posts with label প্রশ্নোত্তর. Show all posts
Showing posts with label প্রশ্নোত্তর. Show all posts

কুরআনে কেন আল্লাহ্‌র জন্য বহুবাচক সর্বনাম এবং পুরুষবাচক সর্বনাম ব্যবহার করা হয়েছে ?

প্রশ্নঃ  কুরআন অনুবাদের ক্ষেত্রে  কেন আল্লাহ্‌র জন্য বহুবাচক সর্বনাম “نَحْنُ” (We বা আমরা) এবং পুরুষবাচক সর্বনাম, “هُوَ” (He বা তিনি) ব্যবহার করা হয়েছে ?

images
উত্তর : এটি একটি ভালো প্রশ্ন। বাইবেলের পাঠকরাও এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বাইবেল এবং কুরআনের অনুবাদের ক্ষেত্রে যে বহুবাচক We বা “আমরা” ব্যবহার করা হয়েছে সেটাকে বলা হয় Royal বা রাজকীয় We (আমরা)। উদাহরণস্বরূপ, যখন কোনো রাজা বা কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বলেন—“আমরা এই অধ্যাদেশ জারি করছি যে…” অথবা “আমরা এই বিষয়টিতে সন্তুষ্ট নই”, তখন তিনি রাজকীয় সর্বনাম “আমরা” ব্যবহার করছেন। এখানে রাজা একজন মাত্র ব্যক্তি যিনি নিজেই অধ্যাদেশ জারি করছেন বা তিনি নিজেই সন্তুষ্ট নন। অথচ নিজের জন্য তিনি “আমি” ব্যবহার করার পরিবর্তে “আমরা” সর্বনাম ব্যবহার করেছেন। এই আমরা দিয়ে বহুবচন বুঝায় না; বরং বক্তার সম্মান এবং মর্যাদাগত অবস্থান তুলে ধরার জন্য এই সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।

বাংলাসহ ইংরেজি, ফার্সি, হিব্রু, আরবি ইত্যাদি অনেক ভাষাতেই এই রাজকীয় “আমরা” সর্বনামের ব্যবহার রয়েছে। এটি ভাষার একটি মর্যাদাগত দিক। বিশেষকরে ইংরেজি ভাষার ক্ষেত্রে এই বিষয়টি লক্ষ্যনীয়। ইংরেজি ব্যকরনের নিয়মানুযায়ী, কর্তা একবচন হলে ক্রিয়াও একবচন হবে। অতএব, “He is” বা “She is”  এর মতো “You is” হওয়ার কথা যখন “You” দিয়ে কেবল “তুমি” বা “আপনি” অর্থাৎ একজন মাত্র ব্যক্তিকে বুঝায়। “You” দিয়ে যখন “তোমরা” বুঝায়, তখনই কেবল ব্যকরন অনুযায়ী, “You are” হওয়ার কথা। অথচ, “are” ক্রিয়াটি বহুবাচক “তোমরা” এর জন্য হলেও “তুমি” বা “আপনি” অর্থে “You” সর্বনামের সাথেও আমরা বহুবাচক “are” ব্যবহার করি। একই কথা প্রযোজ্য “I” এর ক্ষেত্রে। অর্থাৎ, ব্যকরনের নিয়মে “I

অসৎ কাজে বাধা কি আমরা হাত দিয়ে শুরু করব

০৫ : প্রশ্ন : “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অসৎ কিছু দেখে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে” এ হাদিস কি এ কথা বুঝাচ্ছে যে, আমরা অসৎ কাজের প্রতিরোধ সরাসরি হাত দিয়ে শুরু করব; যদিও সে অসৎ কাজটি মুখ দিয়েই প্রতিহত করা সম্ভব ।

নতুন চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে টেলিস্কোপ জাতীয় যন্ত্রপাতির সাহায্য নেয়া জায়েয; জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার সাহায্য নয়

০৪ : প্রশ্ন : নতুন চাঁদের বয়স ৩০ ঘণ্টা হওয়ার আগে খালি চোখে তা দেখা সম্ভব নয়। এছাড়া কখনো আবহাওয়াজনিত কারণে তা দেখা সম্ভব হয় না। এর উপর ভিত্তি করে কি অ্যাসট্রনমিক্যাল তথ্যাদির সাহায্যে নতুন চাঁদ দেখার সম্ভাব্য সময় ও রমজান মাস শুরু হওয়ার সময় হিসাব করা জায়েয ? নাকি পবিত্র রমজান মাস শুরু করার আগে নতুন চাঁদ দেখা আমাদের উপর ওয়াজিব ? 

উত্তর:  সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

কোন তরুণ কখন ইজতিহাদ করার ও ফতোয়া দেয়ার অধিকার অর্জন করে ?

০১ প্রশ্ন: একজন তরুণের জন্য কখন ইজতিহাদ করা ও ফতোয়া দেয়া জায়েয ? কারণ কিছু কিছু তরুণ দ্বীনদার হওয়ার পর প্রায়শ শরিয়তের দলিল-প্রমাণ নিয়ে আলোচনা ও বিশ্লেষণে জড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক ইস্যু ও মাসয়ালার বিধান নির্ণয় করার চেষ্টা করে- যা হালাল বা হারাম ঘোষণা করার শামিল। তারা নিজেদের বিচার-বিশ্লেষণ অনুযায়ী কিছু কিছু সাম্প্রতিক ইস্যুর ফিকহী বিধান বলারও চেষ্টা করে।
উত্তর :

শূকরের গোশতের মানোন্নয়ন প্রকল্পে চাকুরী করার আকর্ষণীয় প্রস্তাব

০২ প্রশ্ন : আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধাসহ আমি এক কোম্পানির পক্ষ থেকে চাকুরীর প্রস্তাব পেয়েছি। আমার কাজের ধরনটা হবে কোম্পানির গবেষণাগারে শূকরের জিন নিয়ে গবেষণা করা । এ গবেষণার চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে - শূকরের উৎপাদন ও জেনিটিক মানোন্নয়ন করা । আরো স্পষ্ট করে বলতে গেলে গোশতের মান উন্নত রেখে শূকরের প্রজনন বাড়ানো এবং গ্রাহকের ভোগের জন্য তা বাজারজাত করা । অর্থাৎ ইসলামে নিষিদ্ধ শূকরের গোশত গ্রাহক কর্তৃক ক্রয় ও ভোগ করার উৎস থেকে আমার বেতনটা আসবে। প্রশ্ন হল- এ ধরনের উৎস থেকে অর্জিত সম্পদ কি বৈধ হবে ? আমি কি এ চাকরিতে যোগদান করব ? নাকি প্রত্যাখ্যান করব ? দ্রুত উত্তর দিলে কৃতজ্ঞ থাকব; যাতে আমি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পরি। আল্লাহ আপনাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন।

বেপর্দা নারীর মসজিদে প্রবেশ

০৩ প্রশ্ন : আমি ও আমার দুই বান্ধবী ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের জন্য মসজিদে যেতে চাই; কিন্তু তারা দুজন পর্দা করে না । তাদের জন্য কি নিজেদের অভ্যস্ত পোশাকের সঙ্গে কেবল ওড়না পেঁচিয়ে মসজিদে যাওয়া জায়েয হবে ?

জবাব :