Showing posts with label কুরআন. Show all posts
Showing posts with label কুরআন. Show all posts

সত্যবাদিতা



আল-কুরআনুল কারীম : 

1 -قُلْ إِنْ كانَتْ لَكُمُ الدَّارُ الْآخِرَةُ عِنْدَ اللَّهِ خالِصَةً مِنْ دُونِ النَّاسِ فَتَمَنَّوُا الْمَوْتَ إِنْ كُنْتُمْ صادِقِينَ .
‘তুমি বল, যদি অপর ব্যক্তিগণ অপেক্ষা বিশেষভাবে শুধু তোমাদের জন্যে আল্লাহর নিকট বাসস্থান থাকে, তবে তোমারা মৃত্যু কামনা কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও’ (বাক্বারাহ ২/৯৪)।
২ -وَقالُوا لَنْ يَدْخُلَ الْجَنَّةَ إِلَّا مَنْ كانَ هُوداً أَوْ نَصارى تِلْكَ أَمانِيُّهُمْ قُلْ هاتُوا بُرْهانَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صادِقِينَ .
‘এবং তারা বলে, যারা ইহুদী ও খ্রীষ্টান তারা ছাড়া আর কেউই জান্নাতে প্রবেশ করবে না, এটাই তাদের বাসনা। তুমি বল, যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর’ (বাক্বারাহ ২/১১১)।

কুর’আনের দিকে প্রত্যাবর্তন

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে -


নিঃসন্দেহে কুর’আনের সাথে আমাদের সম্পর্ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ; কিন্তু আশ্চর্যের কথা হল আমারা বলতে গেলে তা ভুলে যাই।আমাদের কুর’আনকে গুরুত্ব না দেয়ার বিষয়টি আমার কাছে একটি তত্ত্বীয় ব্যাপার বলে মনে হয়। আর এক্ষেত্রে তত্ত্বটি হলঃ মানুষ স্বভাবতই বিতর্ক প্রিয়। পক্ষান্তরে, কুর’আনের জ্ঞান সমস্ত বিতর্কের ঊর্ধ্বে। ফলে যা হয় তা হল মানুষ বিতর্কহীন কুর’আনের প্রতি বেশী সময় ধরে আগ্রহ ধরে রাখতে পারেনা। কারণ, আগেই বলেছি, স্বভাবগতভাবেই মানুষ বিতর্ক করতে ভালবাসে।

আল্লাহর এ বাণীগুলো কি আমাদের মনে নাড়া দিবে না ?

           আল্লাহর এ বাণীগুলো কি আমাদের মনে নাড়া দিবে না ?
  • সূরা কাহাফ, আয়াত ৪৯-এ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন : আর আমলনামা সামনে রাখা হবে। তাতে যা আছে; তার কারণে আপনি অপরাধীদেরকে ভীত -সন্ত্রস্ত দেখবেন। তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা। এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্মকে সামনে উপস্থিত পাবে। আপনার পালনকর্তা কারও প্রতি জুলুম করবেন না। [আল কাহফঃ ৪৯]
  •  পড় তোমার কিতাব (আমলনামা)। আজ তোমার হিসাব গ্রহণের জন্য তুমি নিজেই যথেষ্ট। [সূরা বনী-ইসরাঈলঃ ১৪]
  •  জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর তোমরা আমারই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। [আল আনকাবূতঃ ৫৭]

সহীহ হাদীসের আলোকে কুরআনের কয়েকটি বিশেষ সূরা ও আয়াতের ফযীলত

সহীহ হাদীসের আলোকে কুরআনের কয়েকটি বিশেষ সূরা ও আয়াতের ফযীলত
বাজারে প্রচলিত বিদ’আত ও ভুলে ভরা বই এ আমরা কুরআনের প্রত্যেকটি সূরার কোন না কোন ফজীলতের কথা পড়েছি। অথচ এগুলো অনেকাংশেই দুর্বল ও জাল হাদিসের উপর ভিত্তি করে লেখা। এখানে কুরআনের যেসব সূরা ও আয়াতের কথা সহীহ হাদিসে বিশেষ গুরুত্বের সাথে উল্লেখিত হয়েছে, সে হাদিসগুলো একত্রে উপস্থাপন করা হল।
♦ সূরা ফাতিহা
  • ১) আবু সাইদ রাফে’ ইবনে মুআল্লা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বললেন, “মসজিদ থেকে বের হবার পূর্বেই তোমাকে কি কুরআনের সব চেয়ে বড় (মাহাত্ম্যপূর্ণ) সূরা শিখিয়ে দেব না?” এই সাথে তিনি আমার হাত ধরলেন। অতঃপর যখন আমরা বাহিরে যাওয়ার ইচ্ছা করলাম, তখন আমি নিবেদন করলাম, “ইয়া রাসুলুল্লাহ ! আপনি যে আমাকে বললেন তোমাকে অবশ্যই কুরআনের সব চেয়ে বড় (মাহাত্ম্যপূর্ণ) সূরা শিখিয়ে দেব?’ সুতরাং তিনি বললেন,