Showing posts with label আকীদাহ. Show all posts
Showing posts with label আকীদাহ. Show all posts

আল-কুরআনে ঈমান ও ঈমানদার প্রসঙ্গ

মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম আজাদ

আল্লাহর প্রতি ঈমানের মর্ম ও হাকীকত
খাঁটি ঈমান- প্রাণের প্রাণ, সুখের প্রান্তর ..........................................................
আল্লাহর প্রতি ঈমান ছাড়া আত্মার প্রশান্তি অর্জন অসম্ভব। আর ঈমানহীন আত্মা সদাসন্ত্রস্ত, হীন ও দূর্বল থাকে, সে আত্মায় থাকেনা কোন স্থিরতা ও প্রশান্তি। আল্লাহর প্রতি ঈমান হলো নাজাত ও মুক্তির মূলমন্ত্র। 'আল্লাহর প্রতি ঈমান' এর অর্থ হলো, এমর্মে দৃঢ় বিশ্বাস করা যে,- আল্লাহই সবকিছুর প্রতিপালক, মালিক ও স্রষ্টা এবং সালাত, সিয়াম, দু'আ, আশা, ভয়, বিনয় ও নম্রতাসহ অপরাপর সকল ইবাদতের একক হকদার কেবল তিনিই এবং তিনিই পূর্ণতার সব গুন-বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ ও যাবতীয় ত্রুটি ও অপূর্ণতা হতে পবিত্র।

তাগুত এর অর্থ এবং এর প্রধান প্রধান অংশ

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে - 

এ-কথা জানা প্রয়োজন যে, আল্লাহ তা‘আলা মানব জাতির উপর সর্ব প্রথম যা ফরজ করেছেন তা হচ্ছে তাগুতের সাথে কুফরি এবং আল্লাহর উপর ঈমান।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
 “আর নিশ্চয়ই আমি প্রত্যেক জাতির কাছে রাসূল পাঠিয়েছি এ কথা বলে যে, তোমরা শুধু আল্লাহর উপাসনা কর এবং তাগুতকে পরিত্যাগ কর।” [সূরা আন্‌-নাহল: ৩৬]

“আল্লাহর” ৯৯ নামে অর্থ


Picture
রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে - 
মহান প্রভু, সবকিছুর সৃষ্টিকর্তার নাম হচ্ছে আল্লাহ্‌। এটা হচ্ছে আল্লাহ্‌ তা’আলার সর্বশ্রেষ্ঠ নাম। কারণ যে কোন গুণবাচক নাম দিয়েই আল্লাহ্‌র কথা বলা হোক না কেন, সব নাম দ্বারা আল্লাহ্‌কেই ইঙ্গিত করা হয়। যেমন, আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেছেন,
“তিনিই আল্লাহ্‌, যিনি ছাড়া লা ইলাহা ইল্লা হুয়া (আর কেউ নাই উপাসনা করার), দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান জগতের সব ব্যাপারে যিনি সম্যক অবগত। তিনি সবচাইতে দয়ালু, সবচাইতে ক্ষমাশীল। তিনিই আল্লাহ্‌, যিনি ছাড়া লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, যিনি সবকিছুর অধিপতি, পূতঃপবিত্র, সবকিছুর উর্ধে, নিরাপত্তা প্রদানকারী, অভিভাবক, সর্বশক্তিমান, সমুচ্চ, গৌরবান্বিত, সকল প্রশংসা তাঁর জন্য, তারা তাঁর সাথে যা কিছু শরিক করে সেগুলা থেকে তিনি অনেক উর্ধে। তিনি আল্লাহ্‌, যিনি শূন্য থেকে সৃষ্টি শুরু করেছেন, সবকিছু তৈরি করেছেন, আকৃতি দিয়েছেন। সবচাইতে ভাল নামগুলি তাঁর জন্যই প্রযোজ্য। মহাকাশ এবং পৃথিবীর মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছু তাঁর মহত্ত্ব বর্ণনা করে, এবং তিনিই সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ।” [৫৯:২২-২৪]

সাফল্যের পথ

সাফল্যের পথ

Picture

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে- 
প্রিয় বন্ধু, মানুষ জীবনে সফল হওয়ার জন্য কতই না পথ অবলম্বন করে ? কিন্তু আল্লাহ তায়ালার নির্দেশিত পদ্ধতি ব্যতিরেকে মুসলিম জীবনের প্রকৃত সফলতা অর্জন করা কি আদৌ সম্ভব ? না ।  আল্লাহ তায়ালার নির্ধারিত মানচিত্র অনুসরণ করা ব্যতিরেকে সেই সাফল্যের স্বর্ণ দুয়ারে পৌঁছা আদৌ সম্ভব নয়। তাই আসুন, আল্লাহর নির্ধারিত সাফল্যের পথের পরিচয় নেয়ার চেষ্টা করি মসজিদে নববীর সম্মানিত ইমাম ও খতীব ডঃ আবদুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ আল কাসেম এর কলাম থেকে --

কুরআনে কেন আল্লাহ্‌র জন্য বহুবাচক সর্বনাম এবং পুরুষবাচক সর্বনাম ব্যবহার করা হয়েছে ?

প্রশ্নঃ  কুরআন অনুবাদের ক্ষেত্রে  কেন আল্লাহ্‌র জন্য বহুবাচক সর্বনাম “نَحْنُ” (We বা আমরা) এবং পুরুষবাচক সর্বনাম, “هُوَ” (He বা তিনি) ব্যবহার করা হয়েছে ?

images
উত্তর : এটি একটি ভালো প্রশ্ন। বাইবেলের পাঠকরাও এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বাইবেল এবং কুরআনের অনুবাদের ক্ষেত্রে যে বহুবাচক We বা “আমরা” ব্যবহার করা হয়েছে সেটাকে বলা হয় Royal বা রাজকীয় We (আমরা)। উদাহরণস্বরূপ, যখন কোনো রাজা বা কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বলেন—“আমরা এই অধ্যাদেশ জারি করছি যে…” অথবা “আমরা এই বিষয়টিতে সন্তুষ্ট নই”, তখন তিনি রাজকীয় সর্বনাম “আমরা” ব্যবহার করছেন। এখানে রাজা একজন মাত্র ব্যক্তি যিনি নিজেই অধ্যাদেশ জারি করছেন বা তিনি নিজেই সন্তুষ্ট নন। অথচ নিজের জন্য তিনি “আমি” ব্যবহার করার পরিবর্তে “আমরা” সর্বনাম ব্যবহার করেছেন। এই আমরা দিয়ে বহুবচন বুঝায় না; বরং বক্তার সম্মান এবং মর্যাদাগত অবস্থান তুলে ধরার জন্য এই সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।

বাংলাসহ ইংরেজি, ফার্সি, হিব্রু, আরবি ইত্যাদি অনেক ভাষাতেই এই রাজকীয় “আমরা” সর্বনামের ব্যবহার রয়েছে। এটি ভাষার একটি মর্যাদাগত দিক। বিশেষকরে ইংরেজি ভাষার ক্ষেত্রে এই বিষয়টি লক্ষ্যনীয়। ইংরেজি ব্যকরনের নিয়মানুযায়ী, কর্তা একবচন হলে ক্রিয়াও একবচন হবে। অতএব, “He is” বা “She is”  এর মতো “You is” হওয়ার কথা যখন “You” দিয়ে কেবল “তুমি” বা “আপনি” অর্থাৎ একজন মাত্র ব্যক্তিকে বুঝায়। “You” দিয়ে যখন “তোমরা” বুঝায়, তখনই কেবল ব্যকরন অনুযায়ী, “You are” হওয়ার কথা। অথচ, “are” ক্রিয়াটি বহুবাচক “তোমরা” এর জন্য হলেও “তুমি” বা “আপনি” অর্থে “You” সর্বনামের সাথেও আমরা বহুবাচক “are” ব্যবহার করি। একই কথা প্রযোজ্য “I” এর ক্ষেত্রে। অর্থাৎ, ব্যকরনের নিয়মে “I

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৯ : জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কীয় শরিয়তের বিধান

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৯ : জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কীয় শরিয়তের বিধান

জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কীয় শরিয়তের বিধান
ইমাম বুখারি রহ. তাঁর সহিহ বুখারি গ্রন্থে বলেছেন, কাতাদাহ রা. বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তাআলা এসব নক্ষত্ররাজিকে তিনটি উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন, আকাশের সৌন্দর্যের জন্য, আঘাতের মাধ্যমে শয়তান বিতাড়নের জন্য এবং [দিক ভ্রান্ত পথিকদের] নিদর্শন হিসেবে পথের দিশা পাওয়ার জন্য। যে ব্যক্তি এ উদ্দেশ্য ছাড়া এর ভিন্ন ব্যাখ্যা দিবে সে ভুল করবে এবং তার ভাগ্য নষ্ট করবে। আর এমন জটিল কাজ তার ঘাড়ে নিবে যে সম্পর্কে তার কোন জ্ঞানই থাকবে না।’’ বুখারি

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৮ : কুলক্ষণ সম্পর্কীয় বিবরণ

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৮ : কুলক্ষণ সম্পর্কীয় বিবরণ

কুলক্ষণ সম্পর্কীয় বিবরণ
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন,
أَلَا إِنَّمَا طَائِرُهُمْ عِنْدَ اللَّهِ وَلَكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ #ألاعراف:131
‘‘মনে রেখো, আল্লাহর কাছেই রয়েছে তাদের কুলক্ষণসমূহের চাবিকাঠি। কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোকই তা বুঝে না। (আরাফ: ১৩১)
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরানে আরো ইরশাদ করেছেন,

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৭ : নাশরাহ বা প্রতিরোধমূলক জাদু

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৭ : নাশরাহ বা প্রতিরোধমূলক জাদু

নাশরাহ বা প্রতিরোধমূলক জাদু
সাহাবি জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নাশরাহ বা প্রতিরোধমূলক জাদু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো। জবাবে তিনি বললেন,
هى من عمل الشيطان. # رواه أحمد و أبوداود
‘‘এটা হচ্ছে শয়তানের কাজ’’ (আহমাদ, আবু দাউদ)

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৬ : গণকের কথাকে সত্য বলে বিশ্বাস করা এবং চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামাজ কবুল না হওয়া প্রসঙ্গে

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৬ : গণকের কথাকে সত্য বলে বিশ্বাস করা এবং চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামাজ কবুল না হওয়া প্রসঙ্গে

গণকের কথাকে সত্য বলে বিশ্বাস করা এবং চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামাজ কবুল না হওয়া প্রসঙ্গে
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর এক স্ত্রী থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন,

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৫ : জাদু এবং জাদুর শ্রেণীভূক্ত বিষয়

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৫ : জাদু এবং জাদুর শ্রেণীভূক্ত বিষয়

জাদু এবং জাদুর শ্রেণীভূক্ত বিষয়
কুতুন বিন কুবাইসা তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ কথা বলতে শুনেছেন,
أن العيافت والطرق والطيرت من الجبت
‘‘নিশ্চয়ই ‘ইয়াফা’, ‘তারক’ এবং ‘তিয়ারাহ’ হচ্ছে ‘জিবত’ এর অন্তর্ভূক্ত। আউফ বলেছেন, ‘ইয়াফা’ হচ্ছে পাখি উড়িয়ে ভাগ্য গণনা করা। ‘তারক’ হচ্ছে মাটিতে রেখা টেনে ভাগ্য গণনা করা। হাসান বলেছেন, ‘জিবত’ হচ্ছে শয়তানের মন্ত্র। এ বর্ণনার সনদ সহিহ (আবু দাউদ, নাসায়ি, ইবনু হিববান)

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৪ : জাদু এবং জাদু ক্রয় করা প্রসঙ্গে

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৪ : জাদু এবং জাদু ক্রয় করা প্রসঙ্গে

জাদু এবং জাদু ক্রয় করা প্রসঙ্গে
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন,
وَلَقَدْ عَلِمُوا لَمَنِ اشْتَرَاهُ مَا لَهُ فِي الْآَخِرَةِ مِنْ خَلَاقٍ # ألبقرة: 102
‘‘তারা অবশ্যই অবগত আছে, যে ব্যক্তি তা [জাদু] ক্রয় করে নিয়েছে, পরকালে তার কোন সুফল পাওনা নেই।’’ (বাকারা: ১০২)
আল্লাহ তাআলা আরো ইরশাদ করেছেন,

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৩ : মুসলিম উম্মাহর কিছু সংখ্যক লোক মূর্তি পুজা করবে

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২৩ : মুসলিম উম্মাহর কিছু সংখ্যক লোক মূর্তি পুজা করবে

মুসলিম উম্মাহর কিছু সংখ্যক লোক মূর্তি পুজা করবে
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন,
أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ أُوتُوا نَصِيبًا مِنَ الْكِتَابِ يُؤْمِنُونَ بِالْجِبْتِ وَالطَّاغُوتِ # النساء: 51
‘‘আপনি কি তাদেরকে দেখেননি যাদেরকে কিতাবের কিছু অংশ দেয়া হয়েছে ? তারা ‘জিবত’ এবং ‘তাগুত্কে বিশ্বাস করে। (নিসাঃ৫১)
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরানে আরো ইরশাদ করেছেন,

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২২ : তাওহিদের হেফাজত ও শিরকের সব পথ বন্ধ করার ক্ষেত্রে রাসুল [সা.]-এর অবদান

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২২ : তাওহিদের হেফাজত ও শিরকের সব পথ বন্ধ করার ক্ষেত্রে রাসুল সা.-এর অবদান

তাওহিদের হেফাজত ও শিরকের সব পথ বন্ধ করার ক্ষেত্রে রাসুল [সা.]-এর অবদান
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন,
لَقَدْ جَاءَكُمْ رَسُولٌ مِنْ أَنْفُسِكُمْ . # الةوبة: ১২৮
‘‘নিশ্চয়ই তোমাদের কাছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রাসূল আগমন করেছেন।’’ (তাওবা: ২৮)
সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন,

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২১ : নেককার ব্যক্তিদের কবরের ব্যাপারে সীমা লংঘন করা থেকে বিরত থাকা

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২১ : নেককার ব্যক্তিদের কবরের ব্যাপারে সীমা লংঘন করা থেকে বিরত থাকা

নেককার ও বুজুর্গ ব্যক্তিদের কবরের ব্যাপারে সীমা লংঘন করলে তা তাকে মূর্তি পূজা তথা গাইরুল্লাহর ইবাদতে পরিণত করে
ইমাম মালেক (র.) মুয়াত্তায় বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করেছেন।
أللهم لا تجعل قبري وثنا يعبد اشتد غضب الله على قوم اتحذوا قبور أنبياءهم مساجد
‘‘হে আল্লাহ আমার কবরকে এমন মূর্তিতে পরিণত করো না যার ইবাদত করা হয়। সেই জাতির উপর আল্লাহর কঠিন গজব নাযিল হয়েছে যারা নবিদের কবরগুলোকে মসজিদে পরিণত করেছে।’’

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২০ : নেককার ব্যক্তির উদ্দেশ্যে ইবাদত করা প্রসঙ্গে

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ২০ : নেককার ব্যক্তির উদ্দেশ্যে ইবাদত করা প্রসঙ্গে

নেককার ব্যক্তির উদ্দেশ্যে ইবাদত করা প্রসঙ্গে
নেককার বুজুর্গ ব্যক্তির কবরের পাশে ইবাদত করার ব্যাপারে যেখানে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেখানে ঐ নেককার ব্যক্তির উদ্দেশ্যে ইবাদত কিভাবে জায়েয হতে পারে?
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, উম্মে সালামা রা. হাবশায় যে গীর্জা দেখতে পেয়েছিলেন এবং তাতে যে ছবি প্রত্যক্ষ করেছিলেন তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে উল্লেখ করলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৯ : নেককার পীর-বুজুর্গ লোকদের ব্যাপারে সীমা লংঘন করা

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৯ : নেককার পীর-বুজুর্গ লোকদের ব্যাপারে সীমা লংঘন করা

নেককার পীর-বুজুর্গ লোকদের ব্যাপারে সীমা লংঘন করা আদম সন্তানের কাফের ও বেদ্বীন হওয়ার অন্যতম কারণ
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,
يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لَا تَغْلُوا فِي دِينِكُمْ. # ألنساء: 171
‘‘হে আহলে কিতাব, তোমরা তোমাদের দ্বীনের ব্যাপারে সীমা লংঘন করো না। (নিসা . ১৭১)
সহিহ হাদিসে ইবনে আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, আল্লাহ তাআলার বাণী

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৮ : একমাত্র আল্লাহই হেদায়াতের মালিক

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৮ : একমাত্র আল্লাহই হেদায়াতের মালিক

একমাত্র আল্লাহই হেদায়াতের মালিক
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন,
إِنَّكَ لَا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ #ألقصص: 56
‘‘আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে আপনি হেদায়াত করতে পারবেন না। (কাসাস: ৫৭)

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৭ : শাফাআত বা সুপারিশ প্রসঙ্গ

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৭ : শাফাআত বা সুপারিশ প্রসঙ্গ

শাফাআত বা সুপারিশ
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন,
وَأَنْذِرْ بِهِ الَّذِينَ يَخَافُونَ أَنْ يُحْشَرُوا إِلَى رَبِّهِمْ لَيْسَ لَهُمْ مِنْ دُونِهِ وَلِيٌّ وَلَا شَفِيعٌ
‘‘তুমি কোরানের মাধ্যমে সে সব লোকদের ভয় দেখাও, যারা তাদের রবের সামনে উপস্থিত হওয়াকে ভয় করে। সেদিন তাদের অবস্থা এমন হবে যে, আল্লাহ ছাড়া তাদের কোন সাহায্যকারী বন্ধু এবং কোন শাফাআতকারী থাকবে না। (আনআমঃ ৫১)

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৬ : গণক বা জাদুকরের কথা বিশ্বাস না করা প্রসঙ্গে

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৬ : গণক বা জাদুকরের কথা বিশ্বাস না করা প্রসঙ্গে

গণক বা জাদুকরের কথা বিশ্বাস করা
আল্লাহ তাআলার বাণী,
حَتَّى إِذَا فُزِّعَ عَنْ قُلُوبِهِمْ قَالُوا مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ قَالُوا الْحَقَّ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ # سبأ:23
‘‘এমনকি শেষ পর্যন্ত যখন লোকদের অন্তর থেকে ভয়-ভীতি দূর হয়ে যাবে তখন তারা সুপারিশকারীদেরকে জিজ্ঞাসা করবে, তোমাদের রব কি জবাব দিয়েছেন ? তারা বলবে, সঠিক জবাবই পাওয়া গিয়েছে আর তিনিই মহান ও শ্রেষ্ঠ। (সাবাঃ ২৩)

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৫ : তাওহিদের মর্মকথা

তাওহিদের বিশ্বাসসমূহ : ১৫ : তাওহিদের মর্মকথা

তাওহিদের মর্মকথা
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন,
أَيُشْرِكُونَ مَا لَا يَخْلُقُ شَيْئًا وَهُمْ يُخْلَقُونَ ﴿191﴾ وَلَا يَسْتَطِيعُونَ لَهُمْ #الأعراف: 191-192
‘‘তারা কি আল্লাহর সাথে এমন সব বস্ত্তকে শরিক করে যারা কিছুই সৃষ্টি করতে পারে না। বরং তারা নিজেরাই সৃষ্ট হয়। আর তারা তাদেরকে [মুশরিকদেরকে] কোন রকম সাহায্য করতে পারে না। (আরাফ: ১৯১-১৯২)