সফলতাঃ দুনিয়া ও আল্লাহর দৃষ্টিকোণ

সফলতাঃ দুনিয়া ও আল্লাহর দৃষ্টিকোণ

মাক্কী জীবনের মাঝামাঝি অবস্থা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও কাফেরদের মধ্যে ভীষণ সংঘাত চলছে। কিন্তু তখনো কাফেরদের নির্যাতন নিপীড়ন চরমে পৌঁছে যায়নি। তবে নির্যাতনের ব্যপকতা দিন দিন বেড়েই চলছে। অপরদিকে এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুসলিমদের ধৈর্য্য ধারণ করে সহ্য করা ছাড়া অন্য কোন পথ ছিল না। এমতাবস্থায় সাহাবাদের মধ্যে কিছু হতাশা বিরাজ করছিল। অন্যদিকে কাফেররা মুসলিমদের উপহাস করে বলছিল, তোমাদের তো আল্লাহ আছে! অথচ তোমরাই লাঞ্চনার মধ্যে আছ। তোমরা ব্যর্থতায় পর্যবসিত। এই অবস্থায় আল্লাহ সুবহানাল্লাহু তায়ালা মুমিনদের জন্য নিয়ে এসেছেন আশার বানী। মুমিনদের সফলতা জানান দিয়ে নাজিল হয়েছে সূরা মুমিনূন এর প্রথম দশটি আয়াত। 

আত্মসমালোচনা : গুরুত্ব ও পদ্ধতি

আত্মসমালোচনা : গুরুত্ব ও পদ্ধতি

মুহাম্মাদ  আব্দুল ওয়াদূদ
মানবজাতিকে আল্লাহ তা‘আলা আশরাফুল মাখলূক্বাত হিসাবে স্বাধীন চিন্তাশক্তি দিয়ে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। ফলে তার মাঝে তিনপ্রকার নফসের সম্মিলন ঘটেছে।إِنَّ النَّفْسَ لأَمَّارَةٌ بِالسُّوْءِ إِلاَّ مَا رَحِمَ رَبِّيْ  ‘নিশ্চয়ই মানুষের মন মন্দ কর্মপ্রবণ। কিন্তু সে মন নয়, আমার পালনকর্তা যার প্রতি অনুগ্রহ করেন’ (ইউসুফ ১২/৫৩)। অধিক হারে মন্দকাজ বান্দার অন্তরকে কঠিন করে তোলে ও ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। রাসুল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন বান্দা কোন পাপ করে তখন তার অন্তরে কালো দাগ পড়ে যায়। যখন সে তওবা করে তখন সেটা তুলে নেওয়া হয়।

যেভাবে ব্র্যাডলি ফিলিপস থেকে আবু আমিনাহ বিলাল

ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস। বর্তমান সময়ে পিস টিভির নিয়মিত বক্ত। তিনি একাধারে শিক্ষক, বক্তা ও লেখক। ১৯৪৬ সালের ৬ জানুয়ারি জ্যামাইকায় এক খ্রিস্টান পরিবারে তারজন্ম। বড় হন কানাডায়। জন্মসূত্রে নাম ছিল ডেনিস ব্র্যাডলি ফিলিপস। ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি আরব আমিরাতে বাস করছিলেন। সেখানে থেকে তিনি অধ্যাপনা, প্রকাশনা, খুতবা ও বক্তৃতার মাধ্যমে ইসলামের শিক্ষাকে প্রচার করে আসছিলেন।
তবে তার স্পষ্টবাদিতার কারণে তাকে আরব আমিরাত ত্যাগ করতে হয়। বর্তমানে তিনি কাতারে বসবাসরত।
ফিলিপস ষাটের দশকের শেষ দিকে ভ্যানকুভারে সাইমন ফ্রেসার ইউনির্ভাসিটিতে পড়া অবস্থায় সেখানকার বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনে যোগদান করেন। ধীরে ধীরে কম্যুনিজমের প্রতি আগ্রহ জন্মায় এবং কম্যুনিস্ট আদর্শ গ্রহণ করেন। তিনি এক বছর স্যান ফ্রান্সিস্কোতে কম্যুন্সিট পার্টির সাথে কাজ করার পর এই দলের কর্মকান্ডের আসল রূপ দেখতে পেয়ে ফের কানাডায় ফিরে আসেন।

দারসূল কুরআন

দারসূল কুরআন
  মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম আজাদ
اعْلَمُوا أَنَّمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا لَعِبٌ وَلَهْوٌ وَزِينَةٌ وَتَفَاخُرٌ بَيْنَكُمْ وَتَكَاثُرٌ فِي الْأَمْوَالِ وَالْأَوْلَادِ ۖ كَمَثَلِ غَيْثٍ أَعْجَبَ الْكُفَّارَ نَبَاتُهُ ثُمَّ يَهِيجُ فَتَرَاهُ مُصْفَرًّا ثُمَّ يَكُونُ حُطَامًا ۖ وَفِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ شَدِيدٌ وَمَغْفِرَةٌ مِّنَ اللَّهِ وَرِضْوَانٌ ۚ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا مَتَاعُ الْغُرُورِ
২০. ভালভাবে জেনে রাখো দুনিয়ার এ জীবন, একটা খেলা, হাসি তামাসা, বাহ্যিক চাকচিক্য, তোমাদের পারস্পরিক গৌরব ও অহংকার এবং সন্তান সন্তুতি ও অর্থ-সম্পদে পরস্পরকে অতিক্রম করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয় ৷ এর উপমা হচ্ছে, বৃষ্টি হয়ে গেল এবং তার ফলে উৎপন্ন উদ্ভিদরাজি দেখে কৃষক আনন্দে উৎফূল্ল হয়ে উঠলো ৷ তারপর সে ফসল পেকে যায় এবং তোমরা দেখতে পাও যে, তা হলদে বর্ণ ধারণ করে এবং পরে তা ভূষিতে পরিণত হয়৷ পক্ষান্তরে আখেরাত এমন স্থান যেখানে রয়েছে কঠিন আযাব, আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি৷ পার্থিব জীবন প্রতারণার উপকরণ ছাড়া আর কিছুই নয় ৷

سَابِقُوا إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا كَعَرْضِ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أُعِدَّتْ لِلَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ ۚ ذَٰلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَن يَشَاءُ ۚ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ
২১. দৌড়াও এবং একে অপরের চেয়ে অগ্রগামী হওয়ার চেষ্টা করো, তোমার রবের মাগফিরাতের দিকে এবং সে জান্নাতের দিকে যার বিস্তৃতি আসমান ও যমীনের মত ৷ তা প্রস্তুত রাখা হয়েছে সে লোকদের জন্য যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলদের প্রতি ঈমান এনেছে ৷ এটা আল্লাহর অনুগ্রহ ৷ যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন ৷ আল্লাহ বড়ই অনুগ্রহশীল ৷

আল-কোরআন ও সুন্নাহ হতে সংকলিত শরীয়তসম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক



শরীয়ত সম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক করার শর্তাবলী




আবদুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান আল-জিবরীন রহ.


অনুবাদ: আবুল কাসেম মুহাম্মাদ মাসুম বিল্লাহ

১- ঝাড়-ফুঁক হতে হবে আল্লাহর কোরআন অথবা, তাঁর নামসমূহ  অথবা তাঁর গুনাবলীসমূহ দ্বারা।
২- ঝাড়-ফুঁক হতে হবে আরবী বা অন্য যে কোনো ভাষায়, যার অর্থ জানা যায়।
৩- এ কথায় দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে যে, (রোগ চিকিৎসায়) ঝাড়-ফুঁকের কোনোই ক্ষমতা নাই, বরং রোগ শিফা’র সকল ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলারই।
৪- ঝাড়-ফুঁক যেন হারাম অবস্থায় না হয় অর্থাৎ নাপাক অবস্থায় অথবা, কবর বা পায়খানায় বসে ঝাড়-ফুঁক করা যাবে না।

সত্যবাদিতা



আল-কুরআনুল কারীম : 

1 -قُلْ إِنْ كانَتْ لَكُمُ الدَّارُ الْآخِرَةُ عِنْدَ اللَّهِ خالِصَةً مِنْ دُونِ النَّاسِ فَتَمَنَّوُا الْمَوْتَ إِنْ كُنْتُمْ صادِقِينَ .
‘তুমি বল, যদি অপর ব্যক্তিগণ অপেক্ষা বিশেষভাবে শুধু তোমাদের জন্যে আল্লাহর নিকট বাসস্থান থাকে, তবে তোমারা মৃত্যু কামনা কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও’ (বাক্বারাহ ২/৯৪)।
২ -وَقالُوا لَنْ يَدْخُلَ الْجَنَّةَ إِلَّا مَنْ كانَ هُوداً أَوْ نَصارى تِلْكَ أَمانِيُّهُمْ قُلْ هاتُوا بُرْهانَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صادِقِينَ .
‘এবং তারা বলে, যারা ইহুদী ও খ্রীষ্টান তারা ছাড়া আর কেউই জান্নাতে প্রবেশ করবে না, এটাই তাদের বাসনা। তুমি বল, যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর’ (বাক্বারাহ ২/১১১)।

আল-কুরআনে ঈমান ও ঈমানদার প্রসঙ্গ

মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম আজাদ

আল্লাহর প্রতি ঈমানের মর্ম ও হাকীকত
খাঁটি ঈমান- প্রাণের প্রাণ, সুখের প্রান্তর ..........................................................
আল্লাহর প্রতি ঈমান ছাড়া আত্মার প্রশান্তি অর্জন অসম্ভব। আর ঈমানহীন আত্মা সদাসন্ত্রস্ত, হীন ও দূর্বল থাকে, সে আত্মায় থাকেনা কোন স্থিরতা ও প্রশান্তি। আল্লাহর প্রতি ঈমান হলো নাজাত ও মুক্তির মূলমন্ত্র। 'আল্লাহর প্রতি ঈমান' এর অর্থ হলো, এমর্মে দৃঢ় বিশ্বাস করা যে,- আল্লাহই সবকিছুর প্রতিপালক, মালিক ও স্রষ্টা এবং সালাত, সিয়াম, দু'আ, আশা, ভয়, বিনয় ও নম্রতাসহ অপরাপর সকল ইবাদতের একক হকদার কেবল তিনিই এবং তিনিই পূর্ণতার সব গুন-বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ ও যাবতীয় ত্রুটি ও অপূর্ণতা হতে পবিত্র।

কিয়ামতের দিন শাফায়াত লাভের জন্য কতিপয় আমল


১) একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহর ইবাদত করা ও তাওহীদ বাস্তবায়ন করা:
আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
« أَسْعَدُ النَّاسِ بِشَفَاعَتِى يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ، خَالِصًا مِنْ قَلْبِهِ أَوْ نَفْسِهِ »
“কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত লাভে সেই ব্যক্তি সৌভাগ্য মণ্ডিত হবে, যে আন্তরিকভাবে বলবে: `লাইলাহা ইল্লাল্লাহ’ তথা আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই।” (সহীহ বুখারী, অনুচ্ছেদ,হাদীসের প্রতি আগ্রহ, হাদীস নং ৯৯,শামেলা)
২) কুরআন পাঠ করা: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
اقْرَءُوا الْقُرْآنَ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَفِيعًا لِأَصْحَابِهِ
“তোমরা কুরআন পাঠ কর। কেননা,কুরআন কিয়ামতের দিন তার পাঠকদের জন্য সুপারিশ কারী হবে।”(সহীহ মুসলিম)।

হাদীস সংকলনের ইতিহাস

 মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম আজাদ
হাদীস শাস্ত্রের সমস্ত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এই সংক্ষিপ্ত পরিসের উপস্থাপন করা সম্ভব নয়। এজন্য স্বতন্ত্র পুস্তক রচনার প্রয়োজন। এনে হাদীসের সংগ্রহ ও সংকলনের একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হচ্ছে। এ থেকে অনুমান করা যাবে যে, রাসূলুল্লাহ (সা) এর হাদীসের এই অমূল্য সম্পদ এই তের শত বছর কোন কোন পর্যায়ে অতিক্রম করে আমাদের কাছে পৌঁছেছে। এ থেকে আরও জানা যাবে, কোন মহা ব্যক্তিগণ হিকমাত ও হেদায়াতের এই উৎসকে ভবিষ্যৎ বংশধরদের নিকট সংরক্ষিত আকারে পৌঁছে দেয়ার জন্য নিজেদের জীবন ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন এবং প্রয়োজনবোধে এ কাজে জীবন বাজি রাখতেও পশ্চাৎপদ হননি। 

তিনটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সা ) এর হাদীসসমূহ আমাদের নিকট পৌঁছেছে।
(১) লিখিত আকারে, (২) স্মৃতিতে ধরে রাখার মাধ্যমে, (৩) পঠন পাঠনের মাধ্যমে।
হাদীস সংগ্রহ, বিন্যাস ও পুস্তককারে সংকলনের সময়টাকে চার যুগে বিভক্ত করা যায়।

রাসূল (সা.)-এর শিক্ষানীতি

 
লেখকঃ ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম

আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে প্রথম বাণীটিই ছিল-‘‘ইকরা বিইসমি রাবিবকাল্লাযি খালাক। ‘‘পড় তোমার রবের নামে, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, পড় দিয়েই শুরু হয়েছে সর্বকালের সেরা মানুষ আমাদের প্রিয় নবী মানবতার বন্ধু মুহাম্মদ (সা.) এর মিশনের যাত্রা। আল্লাহ তায়ালা আদম থেকে শুরু করে সকল নবী এবং রাসূলদের শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করেই তাদের পরিচয় তুলে ধরেছেন। আল্লাহ বলেন : ‘হে নবী! আপনাকে আমি এমন সব জ্ঞান শিক্ষা দিয়েছি যা আপনিও জানতেন না এবং আপনার পূর্বপুরুষও জানতো না।’ (৬:৯২) আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানদক্ষতায় রাসূল (সা.) এতই পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন যে, শিক্ষা সম্প্রসারণে বিশ্বমানবতার মহান শিক্ষকরূপে তার আবির্ভাব হয়েছিল। সেজন্য রাসূল (সা.) নিজেও এ পৃথিবীতে রাষ্ট্র প্রধান, সেনাপতি কোন নামেই নিজের পরিচয় তুলে ধরেননি। বরং তিনি নিজিকে শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতে এভাবে গর্ববোধ করেছেন। রাসূল (সা.) বলেন : ‘বুয়েস্ত্ত মোয়াল্লেমান’ ‘আমি মানবতার জন্য শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছি।’ আল্লাহ্পাক রাসূল করীম (সা.)-এর পরিচয় দেন এভাবে : ‘‘তিনি (আল্লাহ্) যিনি নিরক্ষর লোকদের মধ্য হতে তাদেরই একজনকে নবী হিসেবে উন্নীত করেছেন যিনি নবী-(সা.) তাদের কাছে আবৃত্তি বা পাঠ করেন তার (আল্লাহ) নিদর্শনসমূহ, তাদের পুত-পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও জ্ঞান; যদিও তারা পূর্বে মিথ্যা বিশ্বাসের অনুসারী ছিল।’’ [৬২:২]

হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন উম্মী। মানব রচিত কিতাব বা গ্রন্থজ্ঞান তিনি আহরণ করেননি। মানব রচিত গ্রন্থের শিক্ষা অর্জন না করার ফলে তিনি কোন লেখক বা গ্রন্থকারের মতবাদ দ্বারা পক্ষপাতদুষ্ট হওয়া থেকে ছিলেন পাক ও পবিত্র। কারণ গোটা বিশ্বের তথা বিশ্বমানবজাতির যিনি শিক্ষক, তিনি কি করে কোন মানুষ বিশেষের নিকট শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন? তাহলে বিশ্বকে সার্বজনীন শিক্ষা দেবে কে? আর এ কারণেই আল্লাহ পাক তাঁর প্রিয় রাসূল (সা.)-এর শিক্ষার ভার নিজেই গ্রহণ করেছেন। রাসূল (সা.) শিক্ষকসুলভ আচরণের মাধ্যমে আরবদের মাঝে লুক্কায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করে জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার কর্মসূচিতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছিলেন । শুধু তাই নয় তিনি মানবকুলের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে জ্ঞান কেই আখ্যায়িত করলেন। আল্লাহ্ বলেন : ‘‘কুল, রাববী জ্বিদ্নী ইলমা’’, বল, হে রব আমার, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি কর।’’

সুন্নাত নিয়ে আমাদের ভুল ধারনা সমুহ

সুন্নাত নিয়ে আমাদের ভুল ধারনা সমুহ

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

আমার প্রায় লেখাগুলোই শুরু হয় আমাদের জ্ঞানহীনতার আহাজারি দিয়ে। ব্যাপারটা একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে কিন্তু সত্যি কথা এটাই যে মুসলিম হিসেবে যা জানার কথা ছিল ক্লাস ফোর-ফাইভে, সেটা আমি জেনেছি অনার্স পরীক্ষা দেবার পর! এরকম ইসলামের খুব বেসিক কিন্তু একেবারেই অজানা একটা বিষয় হল সুন্নাত।

সুন্নাত শব্দটার সরল অর্থ পথ, নিয়ম বা রীতি। সুন্নাতুল্লাহ মানে আল্লাহর রীতি। সুন্নাতুর রসুল মানে রসুল(সাঃ) এর পথ, তাঁর রীতি। কিন্তু ইসলামি পরিভাষায় সুন্নাত শব্দটি বিভিন্ন শাখার স্কলাররা বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করেছেন। যেমন –

মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা পর্ব -২

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

Adab in Muslim Life QAলেখক: ড. মো: আমিনুল ইসলাম

নিয়তের আদবসমূহ

মুসলিম ব্যক্তি নিয়তের মর্যাদা ও প্রভাবের প্রতি বিশ্বাস করে এবং আরও বিশ্বাস করে তার ধর্মীয় ও জাগতিক জীবনের সকল কর্মকাণ্ডের জন্য নিয়তের গুরুত্বকে। কারণ, নিয়তের দ্বারাই সকল কাজের অস্তিত্ব লাভ করে এবং নিয়ত অনুযায়ীই তার রূপ-প্রকৃতি তৈরি হয়; ফলে সে অনুসারে তা শক্তিশালী হয়, দুর্বল হয়, শুদ্ধ হয় এবং নষ্ট হয়; আর মুসলিম ব্যক্তি প্রত্যেক কাজে নিয়তের প্রয়োজনীয়তা ও তা বিশুদ্ধকরণের আবশ্যকতার বিষয়টিকেও বিশ্বাস করে। এ ব্যাপারে সে প্রথমত আল্লাহর বাণী থেকে দলীল গ্রহণ করে; আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা পর্ব -১

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

Adab in Muslim Life QA

লেখক: ড. মো: আমিনুল ইসলাম

আদব-কায়দা’র পরিচয়, গুরুত্ব ও তাৎপর্য

১. আদব-কায়দা’র পরিচয়:
আদব শব্দটি আরবি  ” أدب “শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত শব্দ; যার অর্থ হলো: বিনয়, নম্রতা, ভদ্রতা, সভ্যতা, কৃষ্টি, সুশিক্ষা, নৈতিকতা, মানবিকতা, শোভনতা, শিষ্টাচার।[1] আবার  ” أدب “শব্দের অর্থ: নিয়মনীতি, পদ্ধতি ইত্যাদি।  আর আদব-কায়দা মানে— ভদ্র সমাজের রীতি-পদ্ধতি; ভদ্র ব্যবহার। অন্যভাবে বলা যায়: আদব-কায়দা মানে কাঙ্খিত শিক্ষা, সভ্যতা ও মার্জিত সংস্কৃতির দ্বারা আত্মগঠনের অনুশীলন করা।[2]
ইবনু হাজার ‘আসকালানী রহ. বলেন:

ডঃ জাকির নায়েকের লেকচার সমগ্র – বাংলা ডাবিং

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-


ডাউনলোড করুন ডঃ জাকির নায়েকের বাংলা ডাবিং লেকচার সমগ্র।
যেভাবে ডাউনলোড করবেন : প্রথমে ফাইল নেম এর উপর রাইট ক্লিক করুন, তারপর ক্লিক করুন (Save link as / Save target as) এর উপর।

শেইখ মতিউর রহমান মাদানী লেকচার সমূহ



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে- 
 
বক্তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে, এইখানে ক্লিক করুন।

NEW: Torrent এর মাধ্যমে সব ফাইল এক সাথে ডাউনলোড করুন এই লিংক থেকে।

কিভাবে টরেন্ট দিয়ে ফাইল ডাউনলোড করবেন, এই ভিডিওটি দেখুন – http://vimeo.com/19545251 অথবা এইখানে ক্লিক করুন।



Watch all the video lectures fromhere.
Download all the audio lectures from mediafire.
Download all the audio lectures from 4shared
Click Here to play all the Lectures!